আবরার স্মরণসভায় হামলা-গ্রেফতার: ২৩ নাগরিকের নিন্দা

গত শুক্রবার ঢাবিতে আবরার ফাহাদ স্মরণসভায় হামলার ঘটনা ঘটে। ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত শুক্রবার বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মরণসভায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ২৩ বিশিষ্ট নাগরিক। একইসঙ্গে আহতদের চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ না দিয়ে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। সোমবার (১০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এতে ছাত্র অধিকার পরিষদের ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানেও এক্স-রে রুম ও ইমার্জেন্সি রুমে ছাত্রলীগ ফের হামলা চালিয়ে আহত অবস্থাতেই ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের পুলিশে তুলে দেয়। পরদিন ছাত্রলীগের করা দুই মামলায় আহত ২৪ জনকে গ্রেফতার দেখায় শাহবাগ থানা এবং আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা মনে করি, হামলাকারীদের গ্রেফতার করার বদলে আহতদের গ্রেফতারের মাধ্যমে পুলিশ দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থায় একটি বাজে দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে। আমরা অবিলম্বে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মুক্তির দাবি করছি এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে সই করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কামরুল আহসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়্যুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক আ ম ম আরিফ বিল্লাহ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মাহবুব হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, মেজর জেনারেল (অব.) আ ম স আ আমিন।

 

বিবৃতিতে আরও সই করেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, লেখক ও গবেষক ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক মাহবুব মোর্শেদ, লেখক ও গবেষক রাখাল রাহা, সাবেক কূটনীতিক ও পিপলস অ্যাকটিভিস্ট কোয়ালিশনের সমন্বয়ক সাকিব আলি, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শুভ্র, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ, লেখক ও গবেষক জাকারিয়া পলাশ, গণসংস্কৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কবি শওকত হোসেন, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট কবি তুহিন খান।

আবরার স্মরণসভায় হামলা-গ্রেফতার: ২৩ নাগরিকের নিন্দা

গত শুক্রবার ঢাবিতে আবরার ফাহাদ স্মরণসভায় হামলার ঘটনা ঘটে। ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত শুক্রবার বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মরণসভায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ২৩ বিশিষ্ট নাগরিক। একইসঙ্গে আহতদের চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ না দিয়ে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। সোমবার (১০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এতে ছাত্র অধিকার পরিষদের ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানেও এক্স-রে রুম ও ইমার্জেন্সি রুমে ছাত্রলীগ ফের হামলা চালিয়ে আহত অবস্থাতেই ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের পুলিশে তুলে দেয়। পরদিন ছাত্রলীগের করা দুই মামলায় আহত ২৪ জনকে গ্রেফতার দেখায় শাহবাগ থানা এবং আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা মনে করি, হামলাকারীদের গ্রেফতার করার বদলে আহতদের গ্রেফতারের মাধ্যমে পুলিশ দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থায় একটি বাজে দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে। আমরা অবিলম্বে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মুক্তির দাবি করছি এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে সই করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কামরুল আহসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়্যুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক আ ম ম আরিফ বিল্লাহ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মাহবুব হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, মেজর জেনারেল (অব.) আ ম স আ আমিন।

 

বিবৃতিতে আরও সই করেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, লেখক ও গবেষক ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক মাহবুব মোর্শেদ, লেখক ও গবেষক রাখাল রাহা, সাবেক কূটনীতিক ও পিপলস অ্যাকটিভিস্ট কোয়ালিশনের সমন্বয়ক সাকিব আলি, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শুভ্র, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ, লেখক ও গবেষক জাকারিয়া পলাশ, গণসংস্কৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কবি শওকত হোসেন, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট কবি তুহিন খান।