ঢাবি সুফিয়া কামাল হলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন জিনিয়া

শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক

খেলোয়াড়রা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয় কবি সুফিয়া কামাল হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার জিনিয়া এবং রানার্স-আপ হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিথি রানী। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ২৮ জানুয়ারি শনিবার কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাথলেটিকস কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ এবং আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে খেলোয়াড় ও অতিথিবৃন্দ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জাতির নানা দুর্দিনে, গণতন্ত্রায়নে ও সাম্প্রদাযিকতা বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই মহিয়সী নারী মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হলের শিক্ষার্থীরা দক্ষতা ও নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়নে নেতৃত্ব দিবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নিয়মিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গুনগত মানসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে ব্যাক্তিগত অর্জনের সাথে সাথে সমষ্টিগত অর্জনের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ক্রীড়াঙ্গণে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছেন। এর ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রীড়াক্ষেত্রে এদেশের নারীরা অনেক সফলতাও অর্জন করে চলেছে। নারীদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কবি সুফিয়া কামাল হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মোট ১৬টি ইভেন্টে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নেয়।

আর/এসএস

ঢাবি সুফিয়া কামাল হলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন জিনিয়া

শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক

খেলোয়াড়রা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয় কবি সুফিয়া কামাল হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার জিনিয়া এবং রানার্স-আপ হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিথি রানী। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ২৮ জানুয়ারি শনিবার কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাথলেটিকস কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ এবং আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে খেলোয়াড় ও অতিথিবৃন্দ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জাতির নানা দুর্দিনে, গণতন্ত্রায়নে ও সাম্প্রদাযিকতা বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই মহিয়সী নারী মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হলের শিক্ষার্থীরা দক্ষতা ও নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়নে নেতৃত্ব দিবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নিয়মিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গুনগত মানসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে ব্যাক্তিগত অর্জনের সাথে সাথে সমষ্টিগত অর্জনের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ক্রীড়াঙ্গণে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছেন। এর ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রীড়াক্ষেত্রে এদেশের নারীরা অনেক সফলতাও অর্জন করে চলেছে। নারীদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কবি সুফিয়া কামাল হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মোট ১৬টি ইভেন্টে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নেয়।

আর/এসএস