“শিক্ষায় তথ্য-প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগানো হবে”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেছেন, শিক্ষায় তথ্য-প্রযুক্তির অবারিত সুযোগ কজে লাগিয়ে সু-সমন্বিত, আকর্ষণীয় ও কার্যকর শিখন পদ্ধতি প্রবর্তন করা হবে।

তিনি বলেন, তথ্য-প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে এর অবাধ ও ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকদের ক্লাস ও বিষয়ভিত্তিক মানসম্পন্ন কনটেন্ট রেডিও-টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে পারলে একদিকে শিশুরা যেমন একটি বিষয় সহজে অনুধাবন করতে সক্ষম হবে, অন্যদিকে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পাঠদানে শহর ও গ্রামের ব্যবধান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

ঢাকা পিটিআই অডিটোরিয়ামে ‘প্রোগ্রেস শেয়ারিং অব সিএসএসআর প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনএগোরেশন সিরিমনি অব প্রিন্টেট লার্নিং প্যাকেজ’ অনুষ্ঠানে গতকাল সকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণে যখন অন্যসব কিছুর মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় সে সময় শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি দূর করতে ইউনিসেফের সহযোগিতায় এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, ১২৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পে শিক্ষকদের সাহায্যে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করা হয় এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়, যা অব্যাহত আছে। এ ছাড়াও সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিভিন্ন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক দীলিপ কুমার বণিক ও সৈয়দ মামুনুল আলম, প্রকল্প পরিচালক ড. নুরুল আমিন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

এমবিএইচ/এসএস

 

“শিক্ষায় তথ্য-প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগানো হবে”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেছেন, শিক্ষায় তথ্য-প্রযুক্তির অবারিত সুযোগ কজে লাগিয়ে সু-সমন্বিত, আকর্ষণীয় ও কার্যকর শিখন পদ্ধতি প্রবর্তন করা হবে।

তিনি বলেন, তথ্য-প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে এর অবাধ ও ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকদের ক্লাস ও বিষয়ভিত্তিক মানসম্পন্ন কনটেন্ট রেডিও-টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে পারলে একদিকে শিশুরা যেমন একটি বিষয় সহজে অনুধাবন করতে সক্ষম হবে, অন্যদিকে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পাঠদানে শহর ও গ্রামের ব্যবধান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

ঢাকা পিটিআই অডিটোরিয়ামে ‘প্রোগ্রেস শেয়ারিং অব সিএসএসআর প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনএগোরেশন সিরিমনি অব প্রিন্টেট লার্নিং প্যাকেজ’ অনুষ্ঠানে গতকাল সকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণে যখন অন্যসব কিছুর মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় সে সময় শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি দূর করতে ইউনিসেফের সহযোগিতায় এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, ১২৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পে শিক্ষকদের সাহায্যে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করা হয় এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়, যা অব্যাহত আছে। এ ছাড়াও সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিভিন্ন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক দীলিপ কুমার বণিক ও সৈয়দ মামুনুল আলম, প্রকল্প পরিচালক ড. নুরুল আমিন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

এমবিএইচ/এসএস